দেশের ইতিহাসে প্রথম হাইব্রিড ভোট করছে ওলসা অনলাইনে ২ ঘণ্টায় ২৫ শতাংশ ভোট গ্রহণ

২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৩:১১  

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো হাইব্রিড পদ্ধতির নির্বাচন করে ইতিহাস রচনা করতে যাচ্ছে ওল্ড ল্যাবরেটরিয়ান অ্যাসেসোসিয়েশন (ওলসা)। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর ঢাকা কলেজ সংলগ্ন গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হবে হাইব্রিড পদ্ধতির অনলাইন ভোট। তবে এর আগেই বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকেই শুরু হয়েছে অনলাইনে ভোট গ্রহণ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রকাশ, অনলাইন ভোট গ্রহণ শুরুর প্রথম ঘণ্টাতেই জমা পড়েছে ১৪ শতাংশ ভোট। দিবাগত ১২টা ৪৯ পর্যন্ত ভোট বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ শতাংশে।

দেশের বিভিন্ন স্থান ছাড়া ঢাকায় বসেও এই ভোট দিতে পারছেন ভোটাররা। অনলাইনে ভোট দিতে আগেই পূর্বনির্ধারিত সময়ে অনলাইনে ভোটারদের নাম নিবন্ধন করতে হয়েছে। ভোট শুরুর পর নিবন্ধিত মেইলে নির্বাচন কমিশন থেকে লিংক পেয়েছেন তারা। সেই লিংকে ক্লিক করে ভোটার নম্বর, এনআইডি ও ছবি আপলোড করে পরিচয় যাচাই করে ভোট দেয়ার অ্যাকসেস কোড পেয়েছেন। এরপরই এসেছে ওএমআর ব্যালট। সেখানে প্রার্থীর নামের ডান পাশে থাকা ঘরে টিক দিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ভোটাররা। ধারণা করা হচ্ছে, মোট ভোটারের ৭০ শতাংশই অনলাইনে ভোট দেবেন।

সূত্রমতে, এবারের নির্বচনে ২৭টি পদের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ২ জন নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি ২৫টি পদে প্রার্থী হয়েছেন ৫৩ জন। এর মধ্যে দুইটি প্যানেলের একটিতে ২৪ এবং অপরটিতে ২৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।  

সভাপতি পদে মোসাদ্দেক আজম সিদ্দিকীর সঙ্গে মোসুদ মান্নান এবং ইনফরমেশন ও কমিউনিকেশন সেক্রেটারি পদে এনাম এলাহী মল্লিকের সঙ্গে মোঃ মইনুস সামাদ খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে ৫টি ভাইস প্রেসিডেন্ট পদের প্রার্থীরা হলেন-দস্তগীর মোহাম্মাদ আদিল, খন্দকার কামরুজ্জামান, মোহাম্মাদ সামসুজ্জামান, সায়্যেদুর রহমান, ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, মোহাম্মাদ এনামুল হক, মোহাম্মাদ শাহজালাল, তারেক ভূঁইয়া ও তানভীর হায়দার পাভেল। ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন সাব্বির আহমেদ তুষার ও মোঃ নূরুদ্দিন আল মাসুদ। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে সাফওয়াত আমিন সিরাজ সৌম্য ও ড. মোঃ সালেহিন সাদ এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে ইব্রাহিম ইবনে ইসমাঈল কোমল ও আহমেদ হুমায়ুন মোর্শেদ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। যুগ্ম মহাসচিবের ২টি পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪ জন। এরা হলেন মাসুদ পারভেজ, এ এসএম জিল্লুর রহমান, সামিউন নবি এবং সৈয়দ মোহাম্মাদ আন্দালিব। দফতর সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন মাহমুদ আল হাসান তালুকদার (তমাল) ও ফায়সাল কুদ্দুস। এছাড়াও সর্বোচ্চ ৮টি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন-মোঃ আনিসুল হক, মোঃ হারুন অর রশিদ, সুজা আহমেদ, দিদারুল আমিন, মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, রাশেদুজ্জামান খান, দেওয়ান মুহাম্মাদ মিশকাতুল মুসনাদ, মইনুল ইসলাম মাহিন, শরীফ আহমেদ শশী, অদম্য গহীন রাজ, ইফতেহাদুল ইসলাম ফাহিম, আবেদুল মুহাইমিন, মোঃ সায়েফ হোসেন নিয়ন ও ইমরুল হক শাওন।